Header Ads

পিতা-মাতার অবাধ্য হয়ে পালিয়ে বিয়ে করা কি ইসলামে বৈধ

পিতা-মাতার অবাধ্য হয়ে পালিয়ে বিয়ে করা কি ইসলামে বৈধ ???
-------------------------------------------------------------
অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া স্ত্রীলোকের বিবাহ বাতিল❌
1) আবু মূসা আশআরী (রাঃ) বলেন,
রাসূল (সাঃ) বলেছেন, ওয়ালী/ অভিভাবক ছাড়া বিয়ে হয় না
(আহমাদ, তিরমীজি,ইবনু মাজা, মিশকাত/৩১৩০,হাদীস সহীহ)
2) আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিত রাসূল (ছাঃ) বলেছেন,
যদি কোন নারী তার ওয়ালী/ অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া বিবাহ করে
তবে তার বিয়ে বাতিল, বাতিল, বাতিল। এরূপ অবৈধ পন্থায় বিবাহিত নারীর
সাথে স্বামী সহবাস করলে তাকে মোহর দিতে হবে। কারন
স্বামী মোহরের বিনিময়ে তার লজ্জাস্থানকে ব্যবহার করছে।
যদি ওয়ালীগন বিবাদ করেন তবে যার ওয়ালী নেই তার ওয়ালী বা
অভিভাবক দেশের শাসক
(আবুদাঊদ, তিরমিজী, ইবনে মাজা, ইবনু হিব্বান মিশকাত/৩১৩১)
3) আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন
কোন নারী কোন নারী বিয়ে দিতে পারে না এবং কোন
নারী নিজে বিয়েও করতে পারেনা
(ইবনু মাজা, বাংলা মিশকাত/৩০০২, হাদীস সহিহ ইরওয়া/১৮৪১)------------------
অত্র হাদিস দ্বারা বুঝা যায় যে নারী নিজে বিয়ে করতে পারে না
এবং কারো বিয়ে দিতেও পারে না। র্বতমান সমাজে দেখা যায়
অনেক মেয়ে বাড়ী থেকে পালিয়ে কাজীর নিকট বিয়ে
করে ফেলে এবং পিতা রাজি নয় পিতা বেঁচে থাকার পরেও তার
বান্ধবী, খালা, ফুফু, মামী, চাচী, বোন, খালু, বোন জামাই ইত্যাদি
ওয়ালী হয়ে বিবাহ হয় যা বাতিল বলে গন্য হবে।
পিতার র্বতমানে অর্থাত্ রাজি না থাকায় কোন নারী কিংবা খালা খালু মামা
মামী নানা নানী বিয়ে দিলে সে বিয়ে বাতিল হবে। এ বিষয়ে
অভিভাবকদের সর্তক থাকা উচিত। বিবাহের জন্য দুজন সাক্ষী
যরূরী যা বিস্তারিত পাবেন (সুরা বাকারাহ/২৮২)..
4) আয়েশা (রাঃ) বলেন রাসূল (ছাঃ) বলেছেন,
একজন ওয়ালী এবং দুজন ন্যায়পরায়ন সাক্ষী ছাড়া বিয়ে হয় না
(দারাকুতনী, ফিকহুস সুন্নাহ/১৪২পৃঃ)
- - - - - - - -----------------------------------------------------
B) কাউকে পছন্দ হলে পিতা-মাতাকে খুলে বলুন, তবে তাদের
অবাধ্য হয়ে কখনও শান্তি খুজে পাবেন না,
রাসূলুল্লাহ (স) বলেনঃ 'আমি কি তোমাদেরকে সবচেয়ে বড়
কবিরা গুনাহগুলো সম্পর্কে অবহিত করবো না ? (একথা তিনি তিনবার
বল্লেন) । সকলেই বললেন, হ্যা, বলুন হে আল্লাহর রাসূল (সঃ) !
তিনি বললেন,
" আল্লাহর সাথে শরীক করা এবং পিতা-মাতার অবাধ্যতা করা । "
{বুখারী হা/২৬৫৪; মুসলিম হা/৮৭; তিরমিযী হা/১৯০১}
- - - - - - - - -
C) ছেলে-মেয়ের ফ্রেন্ডশিপ কি ইসলামে বৈধ ?
উত্তর-তাদের মধ্যে কোন সম্পর্ক না থাকলেও এটা বৈধ না। যারা
বলে- "আমাদের মাঝে কিছু নেই, We are just Friend".
অনেকের বাবা-মা ছেলে-মেয়ের ফ্রেন্ডশিপের বিষয়টাকে
আধুনিকতা মনে করে সমর্থন করে, তারা মনে করে ছেলে
বড় হয়েছে, মেয়ে বড় হয়েছে ওকে স্বাধীনতা দেয়া
উচিৎ। কিন্তু সারা পৃথিবীর মানুষ এটার সমর্থন দিলেও এটা চলবে না।
ইসলাম তার নিজস্ব অবস্থানেই থাকবে।
1) রাসূল (সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসল্লাম) বলেছেনঃ
কোন পুরুষ যেন বেগানা কোন নারীর সাথে নির্জনে
অবস্থাননা করে। সেখানে তৃতীয় জন হিসেবে শয়তান উপস্থিত
হয়।
[সুনান আত-তিরমিযী, হাদীস ১১৭১]
2) রাসূল (সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসল্লাম) বলেছেনঃ
তোমাদের কারোর মাথায় লোহার সুই দিয়ে আঘাত করা তার জন্য
অনেক শ্রেয় বেগানা কোন নারীকে স্পর্শ করার চাইতে।
[সহীহ আল-জা'মি, হাদীস ৪৯২১]
3) রাসূল (সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসল্লাম) বলেছেনঃ
(১) চোখের যিনা হচ্ছে অবৈধভাবে কারোর দিকে দৃষ্টি
ক্ষেপণ করা,
(২) মুখের যিনা হচ্ছে অশ্লীল কথোপকথন,
(৩) হাতও ব্যভিচার করে; তবে তার ব্যভিচার হচ্ছে অবৈধভাবে
কাউকে হাত দিয়ে ধরা,
(৪) পা’ও ব্যভিচার করে; তবে তার ব্যভিচার হচ্ছে কোন ব্যভিচার
সংঘটনের জন্য রওয়ানা করা,
(৫) মুখও ব্যভিচার করে; তবে তার ব্যভিচার হচ্ছে অবৈধভাবে
কাউকে চুমু দেয়া,
(৬) কানের ব্যভিচার হচ্ছে অশ্লীলকথা শ্রবণ করা,
(৭) মনও ব্যভিচারের কামনা-বাসনা করে। আর তখনই লজ্জাস্থান তা
বাস্তবায়িত করে অথবা করে না [অর্থাৎ নিয়ত পরিবর্তন করে]।
[সুনান আবু দাউদ, হাদীস ২১৫২]
4) রাসূল (সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসল্লাম) বলেছেনঃ
যে ব্যক্তি স্বামী অনুপস্থিত এমনকোন মহিলার বিছানায়বসে তার
দৃষ্টান্ত সেই ব্যক্তির ন্যায় যাকে কিয়ামতের দিন কোন বিষাক্ত
সাপ দংশন করে।
( সহীহ আত-তারগীব, হাদীস ২৪০৫ )
5) রসূল (সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসল্লাম) বলেছেনঃ
রাসূল (সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সল্লাম) কে যখন জিজ্ঞেস করা
হলো কোন জিনিস সাধারণত মানুষকে বেশিরভাগ জাহান্নামের
সম্মুখীন করে তখন তিনি বলেনঃ মুখ ও লজ্জাস্থান।
[আত-তিরমিযী, হাদীস ২০০৪]
কপি বা শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন। আপনার লেখা পড়ে কেউ যদি
এই পাপ থেকে ফিরে আসে তাহলে সাদকায়ে জারিয়াহ পেতে
থাকবেন।
Bangladesh express news
Bangladesh Express News 2017 all copyright . Powered by Blogger.